shimul
বাংলাদেশে শিক্ষার্থী বিক্ষোভের সময় হেলমেট বাহীনির হামলায় সাংবাদিকরা এখনও ন্যায়বিচার পাননি!

সাকিবঃ ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় কভারেজ করার সময় নৃশংসভাবে হামলার স্বীকার কয়েক ডজন বাংলাদেশী সাংবাদিক এখনও বিচার পাননি। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে দায়মুক্তির একটি সংস্কৃতি আক্রমণকারীদের জবাবদিহিতার বাইরে রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা আরো বিশ্বাস করেন যে আক্রমণকারীরা সরকারের ‘সহায়ক শক্তি’ হিসাবে কাজ করেছে। ফটো জার্নালিস্ট পলাশ শিকদারের বলেন, অজানা নম্বর থেকে ফোন কল পাওয়া এখনও দুঃস্বপ্ন, মাত্র দু’বছর আগে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় সড়ক সুরক্ষার দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের সময় তার সাথে এমন একটি ঘটনা ঘটেছিল, সেই মধ্যরাতে তিনি মৃত্যুর হুমকি পান। “আমি ও আমার সাথের কয়েকজন সহকর্মী সাংবাদিকদের ওপর একদলআরো পড়ুন
বাংলাদেশে নিপীড়নের মহামারী চলছে

সাকিবঃ বাংলাদেশে যে নিপীড়নের মহামারী চলছে তার অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। এই আইন তৈরি করা হয়েছে এমনভাবে যাতে করে সরকার এবং রাষ্ট্র মানুষের মুখ বন্ধ করে দেবার কাজটি আউটসোর্স করতে পারেন তাঁদের অনুগত বাহিনীর হাতে। ২০১৮ সালে এই আইন চালু হবার পর থেকে তাই ঘটছে। যে যাই বলুক তাঁকে শায়েস্তা করার জন্যে ব্যবহৃত হচ্ছে এই নিপীড়ক আইন। তার সাম্প্রতিক উদাহরণ হচ্ছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক সিরাজুম মুনিরা’র বিরুদ্ধে আনীত মামলা এবং তাঁকে আটক করা। কিছু দিন আগে এই মামলায় সাংবাদিক এবং কার্টুনিস্টসহ ১১ জনকে অভিযুক্তআরো পড়ুন
মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যু ও রাজাকার শাবকদের ‘উল্লাস’

মোহাম্মদ এ আরাফাতঃ অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন যখন করোনা আক্রান্ত হলেন, এদেশের পাকি প্রেতাত্মাগণ ‘উল্লাস’ প্রকাশ করলো। রাজাকার শাবকদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মুক্ত পাতায় প্রকাশ্যে তাঁর মৃত্যুর আকাঙ্খা প্রকাশ করলো। অধ্যাপক আনিসুজ্জামান যখন আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, তাঁর মতো একজন অজাতশত্রু নিষ্পাপ একজন মানুষের মৃত্যু নিয়েও ‘উল্লাস’ প্রকাশ করলো রাজাকার ছানাগুলো। রাজাকার শাবকগুলো সার্বক্ষনিক মুহাম্মদ জাফর ইকবালেরও মৃত্যু কামোনা করে। এরাই তাঁকে শারীরিকভাবে আক্রমনও করেছিল হত্যার উদ্দেশ্যে। আক্রান্ত হয়ে মুহাম্মদ জাফর ইকবাল যখন হাসপাতালে তখন রাজাকার শাবকগুলো প্রতিনিয়ত তার মৃত্যু কামনা করেছে। সৈয়দ আশরাফের মতো সজ্জন রাজনীতিবিদের মৃত্যুতেও তাদের ‘উল্লাস’আরো পড়ুন
মূর্তি নিয়ে নিজ শহরেই বিতর্ক, জাতীয় বীর নাকি সম্পদ লুন্ঠনকারী নিপীড়ক?

সাকিবঃ ইংল্যান্ডের ছোট্ট এক শহর শ্রুসবেরি। স্যাক্সন যুগে স্থাপিত শহরটির কেন্দ্রে এখনো চোখে পড়বে টিউডর যুগের কাঠের ঘরবাড়ি। শহরটি যারা ঘুরে দেখতে যান, তাদের কাছে অবশ্য দ্রষ্টব্য হিসেবে তুলে ধরা হয় শহরের দুই বিখ্যাত ব্যক্তির দুটি মূর্তি। এর একজন বিশ্ববিখ্যাত ন্যাচারালিস্ট, বিবর্তনবাদের জনক, চার্লস ডারউইন। শহরের পাবলিক লাইব্রেরির বাইরে শোভা পাচ্ছে তার মূর্তি। শ্রুসবেরি শহর কেন্দ্রের খোলা চত্বরে উঁচু বেদিতে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় মূর্তিটি, ব্রোঞ্জের তৈরি। গত কদিন ধরে এই শহরের মানুষ তীব্রভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে এটি অপসারণের দাবি নিয়ে। মূর্তিটি রবার্ট ক্লাইভের। ব্রিটেনে তার পরিচয় ক্লাইভ অব ইন্ডিয়া নামে। তারআরো পড়ুন
বহু বাংলাদেশী মহামারী চলাকালীন রাষ্ট্র কতৃক অপহৃত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন

সাকিবঃ ৫৩ দিন সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে নিখোঁজ হওয়ার পর ৩ মে বাংলাদেশে সাংবাদিক ও অনলাইন এক্টিভিষ্ট শফিকুল ইসলাম কাজলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান শিখোর নিজের এবং তার দলের সাথে যুক্ত অন্যদের দ্বারা নির্যাতনের অভিযোগ এনে একটি পোষ্ট শেয়ার করে নেওয়ার অভিযোগে দেশটির সীমাবদ্ধ ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের (ডিএসএ) অধীনে একটি মামলা দায়ের করার পর ১০ মার্চ কাজল নিখোঁজ হন। ঘটনার সময় ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে যে কাজলের মোটর সাইকেলের আশেপাশের লোকেরা যখন সন্ধ্যায় রাজধানীতে তার অফিস ছেড়ে চলে যাচ্ছিল। তার স্ত্রী জুলিয়া ফেরদৌস এবং তার দুইআরো পড়ুন
হিন্দুজাতি গঠনে রামমোহন, বিদ্যাসাগর ও বিবেকানন্দের ভিত্তি।

এসএমঃ ১ রামমোহন রায় কলকাতায় আগস্ট ২০, ১৮২৮ সালে ইংল্যান্ড যাত্রার আগে দ্বারকানাথ ঠাকুরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ব্রাহ্মসমাজ স্থাপন করেন। পরবর্তীকালে এই ব্রাহ্মসমাজ এক সামাজিক ও ধর্মীয় আন্দোলন এবং বাংলার পুনর্জাগরণের পুরোধা হিসাবে কাজ করে। সতীদাহ ও রামমোহন রায় সম্পাদনা বেদান্ত-উপনিষদগুলি বের করবার সময়ই তিনি সতীদাহ অশাস্ত্রীয় এবং নীতিবিগর্হিত প্রমাণ করে পুস্তিকা লিখলেন ‘প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ’। প্রতিবাদে পুস্তিকা বের হল ‘বিধায়ক নিষেধকের সম্বাদ’। তার প্রতিবাদে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুস্তিকা বের হয়। ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সীতে সতিদাহ প্রথাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করা হয় বা আইন করে সহমরণ-রীতি নিষিদ্ধ করা হয়। এসময় বেঙ্গলের গভর্নর ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক। অবশ্যআরো পড়ুন
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও জনগণের বিরুদ্ধে অনন্ত ‘যুদ্ধ’

সাকিবঃ সারা দুনিয়া যেখানে করোনা মোকাবিলায় হিমশিম খাচ্ছে, করোনার বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করছে, সেখানে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকার যেন তার জনগণের বিরুদ্ধেই অঘোষিত এক ‘যুদ্ধ’ ঘোষণা করেছে। দুই উপায়ে এই ‘যুদ্ধের’ বাস্তবতা উৎপাদন করা হচ্ছে। একদিকে, নজিরবিহীন বিপদজনক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পদ্ধতিগত সিদ্ধান্তহীনতার মাধ্যমে জনগণের একটা বড়ো অংশের জীবনকে হুমকির মধ্যে ফেলে দেয়া হচ্ছে, অন্যদিকে যারা এমনতর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন এবং ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিচ্ছেন রাষ্ট্র বিভিন্ন আইনী মারপ্যাঁচের মাধ্যমে তাদের নাগরিক অধিকার হরণ করা শুরু করেছে। তাদেরকে তুলে নিয়ে যাওয়া-দীর্ঘদিন ‘নিখোঁজ’ থাকার পর গ্রেফতার দেখানো-মামলা দায়ের করা সহ নানাবিধ হয়রানিআরো পড়ুন
কল্পনা চাকমা অপহরণ ও রাষ্ট্রের বিচারহীনতার সংস্কৃতি!

সাকিবঃ (১) কল্পনা চাকমা ছিলেন আদিবাসী নারী অধিকার কর্মী এবং পার্বত্য হিল উইমেন ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক। সর্বোপরি কল্পনা চাকমা পাহাড়ি জুম্ম আদিবাসীদের মাঝে একটি আদর্শের নাম। পার্বত্য জনপদে অধিকার আদায়ের আন্দোলনের মূর্ত প্রতীক। দীর্ঘ দুই যুগ হতে চললো ১৯৯৬ সালে ১১ জুন জাতীয় নির্বাচনের ঠিক দিবাগত রাতে নিউ লাল্যেঘোনা, উগলছড়ি, থানা-বাঘাইছড়ি, জেলা-রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নিজ বাড়ী হতে কল্পনা চাকমা(১৬) কে বড় দুই ভাইয়ের উপস্থিতিতে অপহরণ করা হয়। ঘটনার পর পরই তার বড় ভাই কালেন্দী কুমার চাকমা এলাকার চেয়ারম্যান, টিএনওসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণকে অপহরণের বিষয়টি অবহিত করেন এবং ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারকৃত একটিআরো পড়ুন
ভারতকে চাপে রেখে ক্ষমতা দেখাচ্ছে চীন

সাকিবঃ শুধু করোনাভাইরাসই যে একমাত্র হুমকি হয়ে এ বছর ভারতের সীমান্তে ঢুকে পড়েছে, তা নয়। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির হিমালয়সংলগ্ন বিতর্কিত লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি) এলাকায় ভারতীয় জমিতে চীনের সেনারা ঢুকে পড়েছে। তারা এলএসিতে ‘উল্লেখযোগ্যসংখ্যক’ সেনা মোতায়েন করেছে। পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘ ও সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত এই সীমান্ত এলাকার চারটি পয়েন্টে বহুদিন ধরেই চীন হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে। এই পয়েন্টগুলো সিকিম ও কাশ্মীর উপত্যকার উত্তর–পূর্ব অঞ্চলের লাদাখ এলাকায়। কোনো সরকারই এ কথা অস্বীকার করেনি যে ভারত তাঁর নিজ ভূখণ্ড বলে যে সীমানাকে দাবি করে থাকে, সেইআরো পড়ুন
সাম্প্রদায়িক যৌনবাদী

সাকিবঃ বাঙলাদেশের মানুষজনেরা আমেরিকা ও ইউরোপের বর্ণবাদ নিয়ে যতটা সচেতন, ততোটা নিজ ভূখণ্ডের বর্ণবাদ নিয়ে সোচ্চার হলে আমেরিকা ও ইউরোপের গালে শুধু চপেটাঘাত দেওয়াই যেতো না বরং একটি ক্ষেত্রে তারা ইউরোপ ও আমেরিকার থেকেই উৎকৃষ্ট- তা স্পষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা রাখতো। কিন্তু নিজেদের সাদা চামড়ার প্রতি দুর্বলতা ও মোহ, অন্ধের মত সাদাদের শ্রেষ্ঠ মনে করা, আবার; সংকীর্ণমনাদের কাছে সাদা মানেই ষড়যন্ত্রকারী বোধ করা, ওজন, উচ্চতা, শারীরিক গঠন নিয়ে কুৎসিত মনোভাবের পরিচয় দেওয়া, ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের চাইনিজ, জাপানিজ, নাক বোঁচা, দুধ নাই, বাইট্টা, কালা, মোটকা, চালের বস্তা, বিশ্রী ইত্যাদি নিকৃষ্টআরো পড়ুন